সোনা পাতা চূর্ণ – 150 গ্রাম

সোনা পাতা চূর্ণ – 150 গ্রাম

৳ 180.00

রাসুল সাঃ বলেছেন – অবশ্যই তোমাদের সোনা/সিনা (Sanna) ও শুলফা ব্যবহার করা উচিত । এ দুটোতে সাম ছাড়া সকল রোগের নিরাময় রয়েছে। জিজ্ঞেস করা হলো, ইয়া রাসুলাল্লাহ ! সাম কি? তিনি বললেন “মৃত্যু” । ইবনে মাজাহ, চিকিৎসা অধ্যায়, হাদিস নাম্বারঃ ৩৪৫৭ ,।

রাসুল সাঃ বলেন, এমন কোনো প্রতিষেধক যদি থাকতো, যা মৃত্যুকে প্রতিরোধ করতে পারতো, তাহলে তা হতো সিনা/ সোনা পাতা  ( আত-তিরমিযী, হাদিস নং ২০৩১  )

সোনা পাতা কোষ্ট-কাঠিন্য দূর করতে চমৎকার কাজ করে। পায়ু পথের সমস্যা দূর করতে, অর্শের সমস্যায়, অপারেশনের পূর্বে ও পরে পেট পরিষ্কার রাখতে সোনাপাতা ব্যবহার করা হয়।

ক্ষুধা কমায়, যকৃত বিকৃতি, প্লীহা বিকৃতি, বদহজম, ম্যালেরিয়া তকের বিভিন্ন সমর্সা জন্ডিস এবং এনিমিয়। কোষ্ঠকাঠিন্য, রেচক, ওজন কমাতে সাহায্য করে ।

খাওয়ার নিয়ম ও আরো বিস্তারিত জানতে নিচের লেখা পড়ুন ।

250 গ্রাম অর্ডার করতে Add to cart এ ক্লিক করুন আর যদি আরও বেশি অর্ডার করতে চান তাহলে Qty তে সংখ্যা বাড়িয়ে নিন। যেমন Qty 2 হলে হবে 500 গ্রাম।

Qty:
Compare
SKU: shunapata Categories: , ,

Description

সোনা পাতা

বাংলা নাম: সোনা পাতা, সোনামুখী
ইংরেজী নাম: Senna, Tinnevelly Senna
বৈজ্ঞানিক নাম: Cassia angustifolia Vahl.
পরিবার: Caesalpiniaceae
আরবি নাম: সোনামাক্কী

ব্যবহার্য অংশ: পাতা, ফুল ও ফল। তবে পাতার ব্যবহারই বেশী।

রাসায়নিক উপাদান

সোনা পাতায় আছে ১.৫-৩% হাইড্রোজায়ানথ্রাসিন গ্লাইকোসাইড, প্রধানত সেনোসাইড এ এবং বি যা রেইন-হায়ানথ্রোন এবং কম পরিমাণে সেনোসাইড সি এবং ডি যা রেইন-এলো-ইমোডিন-হেটেরোডায়ানথ্রোন, ন্যাপথলিন গ্লাইকোসাইড ফ্ল্যাভোনয়েড(কেম্পফেরল এবং আইসো-রামানিটিন এর ডেরিভেটিভ), ১০-১২% খনিজ উপাদান, ৭-১০% মিউসিলেজ(গ্যালাক্টোজ, এরাবিনোজ, রামনোজ এবং গ্যালাকটিউরোনিক এসিড), প্রায় ৮% পলিঅল (পিনিটল); সুগার(গ্লুকোজ, ফ্রুক্টোজ এবং সুক্রোজ) এবং রেজিন।
.

ঔষধী ব্যবহার

সোনা পাতায় বিদ্যমান বিভিন্ন রাসায়নিক উপাদানগুলির কারণে এটা প্রধানত জোলাপ বা রেচক হিসেবে বেশী ব্যবহৃত হয়। কোষ্ট-কাঠিন্য দূর করতে চমৎকার কাজ করে। সোনা পাতায় বিদ্যমান এনথ্রানয়েড রেচক হিসেবে উদ্দীপনা যোগায় এর কারণ হল সেনোসাইড এবং রেইন এনথ্রোন হজম প্রক্রিয়াকে প্রক্রিয়াকে সক্রিয় করে। রেচক (Laxative effect) বা শীতলকারক হওয়ার ফলে বৃহদন্তে পানি এবং ইলেক্ট্রোলাইট শোষণ বাধাপ্রাপ্ত হয় যা ইনটেস্টাইন্যাল উপাদান গুলোর ভলিউম এবং চাপ বৃদ্ধি করে। এতে কোলনের সঞ্চালন উদ্দীপিত হয়। ফলে খুব অল্প সময়ে এবং খুব সহজেই মল দেহ থেকে বাইরে নিষ্কাষিত হয়।
.
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) মাঝে মধ্যে সংঘটিত কোষ্ট-কাঠিন্য দূর করার জন্য স্বল্প সময়ের চিকিৎসা হিসেবে সোনাপাতা ব্যবহারের অনুমতি দেয়।
এছাড়া পায়ু পথের সমস্যা দূর করতে, অর্শের সমস্যায়, অপারেশনের পূর্বে ও পরে পেট পরিষ্কার রাখতে সোনাপাতা ব্যবহার করা হয়।
সোনাপাতায় বিদ্যমান ইমোডিন বিভিন্ন পরিমাণে চিকিৎসায় ব্যবহা করা হয়। প্রদাহ নাশ করতে ১৫ মি.গ্রা./ কেজি ব্যবহার করা হয়। এ ছাড়া এন্টি সেপটিক ও এন্টি আলসার হিসেবেও এটা কাজ করে।
এন্হ্রাকুইনোন সাইটোটক্সিক এবং কোষ পুনরুদ্ধার-এ রিজেনারেশনে উদ্দীপনা জাগায়, ডিটক্সিফিকেশন এবং পরিষ্কারক হিসেবেও কাজ করে।
সোনাপাতার নানাবিধ ব্যবহারের মথ্যে রয়েছে-ক্ষুধা কমায়, যকৃত বিকৃতি, প্লীহা বিকৃতি, বদহজম, ম্যালেরিয়া তকের বিভিন্ন সমর্সা জন্ডিস এবং এনিমিয়। কোষ্ঠকাঠিন্য , রেচক , ওজন কমাতে সাহায্য করে ।

রাসুল সাঃ বলেছেন – অবশ্যই তোমাদের সোনা /সিনা (Sanna) ও শুলফা ব্যবহার করা উচিত । এ দুটোতে সাম ছাড়া সকল রোগের নিরাময় রয়েছে। জিজ্ঞেস করা হলো, ইয়া রাসুলাল্লাহ ! সাম কি? তিনি বললেন “মৃত্যু” । ইবনে মাজাহ, চিকিৎসা অধ্যায়, হাদিস নাম্বারঃ ৩৪৫৭ ।
রাসুল সাঃ বলেন, এমন কোনো প্রতিষেধক যদি থাকতো, যা মৃত্যুকে প্রতিরোধ করতে পারতো, তাহলে তা হতো সিনা/ সোনা পাতা  ( আত-তিরমিযী , হাদিস নং ২০৩১  )

.

খাওয়ার নিয়মঃ রাতে আধা চা চামুচ পাতা চুর্ন আধা গ্লাস গরম পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। সকালে ছেকে নিয়ে অল্প পরিমাণ গরম পানি মিশিয়ে চায়ের মত পান করতে হবে। অথবা চিকিৎসকের পরামর্শে খেতে হবে ।
.
সতর্কতাঃ আমাশয়, পাতলা পায়খানার রোগীদের, বৃদ্ধদের, দুর্বলদের, ও অন্ত্রের কোন রোগ থাকলে, যেমন-অন্ত্রের প্রদাহ, আলসার, এপেনহিসাইটিস ইত্যাদি এসব ক্ষেত্রে সোনাপাতা ব্যবহার করা যাবে না।
এছাড়া গর্ভবতী বা স্তন্যদানকারী মায়েদের ক্ষেত্রে এবং ৫ বছরের নিচের বাচ্চদের এই হার্বস ব্যবহার করা উচিত নয়।
খাবার ৪-৫ ঘণ্টার মধ্যে বাথরুমের আশেপাশে থাকতে হবে।
সপ্তাহে দুইদিন বা তিনিদিনের  বেশী সেবন করা উচিৎ না।
.
পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া:
উচ্চ মাত্রায় দীর্ঘদিন ধরে সোনা পাতা ব্যবহার করলে শরীরে পটাশিয়াম লেভেল কমে যায়। পটাশিয়াম লেভেল কমে গেলে এই অবস্থাকে বলে হাইপোক্যালিমিয়া। হাইপোক্যালমিয়া হলে নিম্নলিকিত লক্ষণ গুলো দেখা দিতে পারে-
*পেটে ব্যথা
*কোষ্ট-কাঠিন্য
*লো ব্লাড প্রশার
*গোস্তপেশীর দূর্বলতা
*বমি বমি ভাব
*বমি হওয়া
*দৃষ্টি ভ্রম
*শ্বাস-প্রশ্বাসে ব্যাঘাত ঘটে
*হৃদস্পন্দনে পরিবর্তন দেখ দেয়

দীর্ঘ সময় ধরে সোনা পাতা ব্যবহার করলে হাড়ের জয়েন্টে ব্যথা হতে পারে, হাড় বা গোস্তপেশী দূর্বল হয়ে পরে এবং ক্ষধা কমে যাওয়ার করণে শরীরের ওজন কমে যেতে পারে। এছাড়া উচ্চ মাত্রায় ব্যবহারের ফলে পেটে ব্যথা এবং ডায়রিয়া হতে পারে।

.

এই ভেষজটি আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছে ডাঃ মোঃ ফাইজুল হক ( আয়ুর্বেদিক, ইউনানী ও হোমিওতে সরকারী প্রাক্টিস রেজিস্ট্রেশন প্রাপ্ত চিকিৎসক ও লেখক) পরিচালিত FH Shop .
.
ডাঃ মোঃ ফাইজুল হক এর সরাসরি নিজের তত্ত্বাবধানে হার্বস/ঔষধি ভেষজ থেকে সঠিক নিয়মে চুর্ন / পাউডার করা হয়েছে । কোনো কেমিকেল বা সাধারন পির্জাভেটিব ও ব্যবহার করা হয়নি ।
.
১০০% খাঁটি হার্বস ব্যবহার করার জন্য আমাদের কাস্টমার কেয়ারে ফোন দিন, ঢাকার মধ্যে হোম ডেলিভারির সুযোগ এবং ঢাকার বাহিরে কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে পন্য ডেলিভারি দেওয়া হয় ।
.
আমাদের কাষ্টমার কেয়ারও পরিচালিত হয় কোয়ালিফাইড ভেষজবিদ/আয়ুর্বেদ/ইউনানী চিকিৎসক এর তত্ত্বাবধানে ।

.

১৫০ গ্রাম ১৮০ টাকা ।

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “সোনা পাতা চূর্ণ – 150 গ্রাম”

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!
X