Honey

মধু

মধু মহান আল্লাহ তা’আলার একটি বিশেষ নেয়ামত। এই নেয়ামতে রয়েছে প্রাকৃতিকভাবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। মধু রোগ প্রতিরোধ শক্তি বৃদ্ধিসহ নানাপ্রকারের উপকার সাধন করে। কুরআনে এর নেয়ামতের বর্ণনা প্রসঙ্গে আল্লাহ তায়ালা বলেন,

وَأَوْحَىٰ رَبُّكَ إِلَى النَّحْلِ أَنِ اتَّخِذِي مِنَ الْجِبَالِ بُيُوتًا وَمِنَ الشَّجَرِ وَمِمَّا يَعْرِشُونَ﴿٦٨﴾ ثُمَّ كُلِي مِن كُلِّ الثَّمَرَاتِ فَاسْلُكِي سُبُلَ رَبِّكِ ذُلُلًا ۚ يَخْرُجُ مِن بُطُونِهَا شَرَابٌ مُّخْتَلِفٌ أَلْوَانُهُ فِيهِ شِفَاءٌ لِّلنَّاسِ ۗ إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَآيَةً لِّقَوْمٍ يَتَفَكَّرُونَ﴿٦٩﴾

অর্থঃ আর আপনার পালনকর্তা মধু মক্ষিকাকে আদেশ দিলেনঃ পর্বতে,গাছে ও উচু চালে গৃহ তৈরী কর। এরপর সর্বপ্রকার ফল থেকে ভক্ষন কর এবং আপন পালনকর্তার উন্মুক্ত পথ সমূহে চলমান হও। তার পেট থেকে বিভিন্ন রঙের পানীয় নির্গত হয়।তাতে মানুষের জন্য রয়েছে রোগের প্রতিকার।নিশ্চয় এতে চিন্তাশীল সম্প্রদায়ের জন্যে নিদর্শন রয়েছে।

আলোচ্য আয়াতে যে বিষয়গুলো লক্ষণীয়ঃ-
১।আল্লাহ তা’আলা মৌমাছিকে ঘর তৈরি করতে নির্দেশ দিয়েছেন। তাই সে অত্যন্ত সুচারুভাবে গাছের ডালে বা ঝোপে বাসা নির্মাণ করে। আল্লাহ তা’আলার পক্ষ থেকে বিশেষ দীক্ষা ছাড়া ক্ষুদ্র মৌমাছির পক্ষে এত সুন্দর আকর্ষণীয় ও বিজ্ঞানসম্মত কারুকার্যম চাক নির্মাণ করা সম্ভবপর হতো না।

২।এরপর আল্লাহ তাআ’লা তাকে সব ফলমূল থেকে ভক্ষণ করার নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি এ আদেশও দিয়েছেন, যেন আল্লাহ তাআ’লার প্রদত্ত পথগুলো পরিভ্রমণ করে। তাই তো মৌমাছি মধু আহরণে দূর-দূরান্তে চলে গেলেও আবার তার বাসায় ঠিকই ফিরে আসে। সে পথ হারায় না।

৩।সর্বশেষ আল্লাহ তাআ’লা মহা এই নেয়ামতের কথা উল্লেখ করে বলেছেন, মৌমাছির উদর থেকে নির্গত হয় মানবজাতির জন্য অত্যন্ত উপকারী বিভিন্ন বর্ণের পানীয় (মধু), যাতে রয়েছে রোগমুক্তি (শিফা)। আমরা জানি, প্রাচীনকালের ন্যায় এ অত্যাধুনিক যুগের চিকিৎসা বিজ্ঞানেও মধুর গুরুত্ব ও উপকারিতা সর্বজনস্বীকৃত।

হাদিসে রাসুলুল্লাহতে মধুর উপকারিতার অনেক বর্ণনা আছে-

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
‘মধুতে আরোগ্য নিহিত আছে।’ (বুখারি : ৫২৪৮)।

আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন,
প্রিয়নবী (সা.) এর কাছে মধু ও মিষ্টান্ন খুব প্রিয় ছিল। (বুখারি : ৫২৫০)।

রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
‘যে ব্যক্তি প্রতি মাসে তিন দিন সকালে মধু চেটে খাবে, তার বড় ধরনের কোনো রোগ হবে না।’ (ইবনে মাজাহ : ৩৪৪১)।

আবু সাঈদ খুদরি রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, এক ব্যক্তি প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর খেদমতে হাজির হয়ে বলল, আমার ভাই উদরাময় রোগে ভুগছেন। তখন প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তাকে মধু পান করাও। কথা মতো সে ব্যক্তিকে মধু পান করানো হলো। কিন্তু তাতে কোনো ফল হলো না। সেই ব্যক্তি আবার এসে বলল, ইয়া রাসুলাল্লাহ! আমি তাকে মধু পান করিয়েছি; কিন্তু তার উদরাময় আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। তখন প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘আল্লাহ সত্য বলেছেন, তোমার ভাইয়ের উদর মিথ্যুক।’ এরপর ওই ব্যক্তিকে পুনরায় মধু পান করানো হলে তখন সে সুস্থ হয়ে গেল। (বুখারি : ৫২৫২)।

বিশেষত বলতে হয় যে সাহাবায়ে কেরামও মধু পানে খুবই আগ্রহী ছিলেন। জাবের ইবনে আবদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন,
একদা রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে মধু হাদিয়া দেয়া হলো। তিনি আমাদের মাঝে তা বণ্টন করে দিলেন। আমি আমার অংশ নিলাম। অতঃপর বললাম, আমি কি আরও অতিরিক্ত নিতে পারব? তিনি উত্তর দিলেন, হ্যাঁ। আরও নাও। (ইবনে মাজাহ : ৩৪৪২)।

মোহাম্মদ ইবনে শুরাহবিল বর্ণনা করেন,
তোমাদের কাছে কেউ মধু ও সুগন্ধি নিয়ে এলে তা ফিরিয়ে দিও না। (মারিফাতুস সাহাবা : ৬৬৪)।

মধুতে বিদ্যমান কল্যাণকর উপাদান সমূহঃ-

বিজ্ঞান এখন পর্যন্ত আবিষ্কার করেছে যে,মধুতে প্রায় ৪৫টি খাদ্য উপাদান থাকে।
1. ফুলের পরাগের মধুতে থাকে ২৫ থেকে ৩৭ শতাংশ গ্লুকোজ।
2. ৩৪ থেকে ৪৩ শতাংশ ফু্রুক্টোজ।
3. ০.৫-৩.০ শতাংশ সুক্রোজ।
4. ৫.১২ শতাংশ মন্টোজ।
5. ১২ শতাংশ অ্যামাইনো এসিড।
6. ২৮ শতাংশ খনিজ লবণ।
7. ১১ ভাগ এনকাইম।
8. চর্বি ও প্রোটিন নেই।
9. ১০০ গ্রাম মধুতে ২৮৮ ক্যালরি থাকে।

মধুর শারীরিক উপকারিতা সমূহঃ
“““““““““““““““““
মধুতে রয়েছে নানাবিধ শারীরিক উপকারিতা। নিম্নে তার মধ্য থেকে কিছু উল্লেখ করা হলো-

১) উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে : নিয়মিত মধু পানে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রিত হয়।

২) রক্তশূন্যতা দূরকারক : মধু রক্তের হিমোগ্লোবিন গঠনে সহায়তা করে বলে এটি রক্তশূন্যতায় বেশ ফলদায়ক। এতে আছে খুব বেশি পরিমাণে কপার, লৌহ ও ম্যাঙ্গানিজ। এতে শিশুর গঠন, দেহের বৃদ্ধি ও মানসিক বিকাশ সুন্দর হবে।

৩) ফুসফুস রোগ নিরাময় করে।

৪) পাকস্থলীর সুস্থতায় : মধু পাকস্থলীর সুস্থতা বজায় রাখে। অরুচি, বমি, বুকজ্বলা ইত্যাদি দূর করে।

৫) দৃষ্টিশক্তিবর্ধক : মধু দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি করে। গাজরের রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেলে দৃষ্টিশক্তির উন্নতি হয়।

৬) রোগ প্রতিরোধ শক্তিবর্ধক : মধু শরীরের রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ায়। শরীরের ভেতর ও বাইরে যে কোনো ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ প্রতিহত করার ক্ষমতাও সৃষ্টি করে। জীবনীশক্তি বৃদ্ধি করে।

৭) স্মৃতিশক্তিবর্ধক : মধু স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করে। নিয়মিত মধু পানে স্মৃতিশক্তি সতেজ হয়। শিশুর ছয় মাস বয়সের পর থেকে নিয়মিত অল্প করে মধু পান করানো উচিত। এতে শিশুর গঠন, দেহের বৃদ্ধি ও মানসিক বিকাশ সুন্দর হবে।

৮) শক্তিবর্ধক : মধু ভালো শক্তি প্রদায়ী খাদ্য। দেহে তাপ ও শক্তির ভালো উৎস।

৯) হজমে সহায়ক : এতে বিদ্যমান শর্করা সহজেই হজম হয়। পেট রোগীর জন্য আদর্শ খাদ্য মধু।

১০) কোষ্ঠকাঠিন্য দূরকারক : মধুতে আছে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স। এটা কোষ্ঠকাঠিন্য ও অমস্নতা দূর করে।

১১) সুনিদ্রা আনয়নকারী : মধু অনিদ্রা দূর করে। রাতে শোয়ার আগে এক গ্লাস পানির সঙ্গে দুই চা চামচ মধু মিশিয়ে খেলে এটি গভীর ঘুমের কাজ দেয়।

১২) যৌন দুর্বলতায় : পুরুষের মধ্যে যাদের যৌন দুর্বলতা রয়েছে তারা যদি প্রতিদিন মধু সেবন করেন তাহলে এ দুর্বলতা দূর হবে।

১৩) প্রশান্তিদায়ক পানীয় : হালকা গরম দুধের সঙ্গে মধু মিশিয়ে পান করলে তা উৎকৃষ্ট পানীয়ে পরিণত হয়।

১৪) মধু ওজন কমাতেও ভূমিকা রাখে।

১৫) তারুণ্য ধরে রাখতে : মধু ত্বকের তারণ্য বজায় রাখে। এতে বিদ্যমান এন্টিঅক্সিডেন্ট ত্বকের রঙ ও ত্বক সুন্দর করে। ত্বকের ভাঁজ পড়া ও বুড়িয়ে যাওয়া রোধ করে। শরীরের সামগ্রিক শক্তি উৎপাদন ও তারুণ্য বৃদ্ধি করে।

১৬) হাড় ও দাঁতের গঠন : মধু হাড় ও দাঁতের গঠনে সহায়ক, মধুতে বিদ্যমান ক্যালসিয়াম দাঁত, হাড়, চুলের গোড়া শক্ত রাখে। নখের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে, ভঙ্গুরতা দূর করে।

১৭) রক্ত উৎপাদনে সহায়ক : মধুতে রক্ত উৎপাদনকারী আয়রন রয়েছে।

 

আসল মধু চেনার উপায় কি???

বর্তমান ইন্টারনেটের সহজলভ্যতাই এক দিকে মানুষ যেমন উপকৃত হচ্ছে অন্য দিকে তারা প্রতারণার স্বীকারও কম হচ্ছে না। গুগল আর ইউটিউবের যুগে সবাই সব কিছু জানে। আপনি যদি ইউটিউবে গিয়ে honey purity test লিখে সার্চ দেন তাহলে একটা ভিডিওতে তিনভাবে মধুর পিউরিটি পরীক্ষা করা হয়েছেঃ
১। পানিতে ঢেলে দিলে যদি সাথে সাথে পানির তলায় জমে তাহলে আসল। ২। আগুন ধরিয়ে দিলে যদি পুড়ে যায় তাহলে আসল। ৩। বুড়া আঙুলের মাথায় দিলে যদি একটা একটা বিন্দুর মতো স্থির হয়ে থাকে তাহলে সেটা আসল।
এ ছাড়াও আরো কিছু সম্পূর্ণ বিপরীতধর্মী ‘বৈজ্ঞানিক’ পদ্ধতির কথা আমরা শুনতে পাইঃ ১। পিঁপড়া মধু খেলে সেটা আসল। ২। মধুতে পিপড়া না ধরলে সেটা আসল। ৩। ফ্রিজে রেখে দিলে জমে না গেলে সেটা আসল। ৪। শীতকালে জমে গেলে তবেই সেটা আসল….. 

আসলে উপরোল্লেখিত কোন পদ্ধতিই সঠিক পদ্ধতি নয়, আপনি প্রকৃত রেজাল্ট পেতে অবশ্যই ল্যাবে টেস্ট করতে হবে অন্যথায় কোনভাবেই মধু আসল কিনা তা ১০০% বুঝা যাবেনা।

কেন?
কারণ, মধুর সান্দ্রতা নির্ভর করে মধুর আর্দ্রতা ওপরে। যে মধুতে পানি বেশি সেটা কম ঘন। যে মধুতে পানি কম সেটা অনেক ঘন। মরু এলাকার ফুলের মধু আর বাওড় এলাকার ফুলের মধুতে অনেক তফাত থাকে। সুন্দরবনের একদম খাঁটি মধু অনেক পাতলা হয়, আবার সরিষা ফুলের সাথে অনেক ভেজাল মেশানোর পরেও সেটাকে বেশ ঘন মনে হবে।
মধুতে সামান্য মোম মিশিয়ে দিলেই মধুটা সটান পানির তলায় চলে যাবে, জমে থাকবে। আগুন ধরিয়ে দিলে আগুন জ্বলবে। মজার ব্যাপার হচ্ছে, এই মোমটা যদি মধুতে না মিশিয়ে চিনির শিরাতে মিশিয়ে দেন, একই ফল পাবেন। আমরা অফিসে চিনির শিরা ঘন করে বানিয়ে পরীক্ষা করে দেখিয়েছি চিনির শিরা বেশি ঘন হলে সোজা তলে চলে যায়, দ্রবীভূত হয় না।
সত্যি কথা বলতে কী, খাঁটি মধু বানানোর চাপে অনেক ভালো মধু উৎপাদকরাও মধুকে প্রক্রিয়াজাত করতে বাধ্য হন। প্রক্রিয়াজাত মানে মৌমাছির তৈরি মধুকে উত্তপ্ত করে পানির পরিমাণ কমিয়ে ফেলা। দুঃখজনক হলেও, এ কাজটা করতে গিয়ে মধুর বেশকিছু পুষ্টিমান হারিয়ে যেতে পারে। এজন্য আমরা চেষ্টা করছি মানুষের মাঝে একটা সচেতনতাবোধ তৈরি করতে যে মৌমাছিদের থেকে সরাসরি পাওয়া প্রাকৃতিক মধুই সবচেয়ে ভালো, হোক সেটার দাম বেশি, হোক সেটা একটু কম ঘন।
শুরুর প্রশ্নে ফিরে যাই – ঘরে বসে খাঁটি মধু চিনব কীভাবে? কোনো উপায় নেই। শুধু আমাদের কাছে না, পৃথিবীর বড় বড় বিজ্ঞানীদের কাছেও নেই। অনলাইন হাতুড়েরা যেসব দেখাচ্ছে সেগুলো বাকওয়াজ ছাড়া অন্য কিছু নয়।
তবে প্রশ্ন যদি হয় খাঁটি মধু পাবেন কীভাবে তার উত্তর দিতে পারিঃ ১। আপনি গ্রামের দিকে থাকলে বা গ্রামের সাথে ভালো যোগাযোগ থাকলে, নিজের মধু নিজেই দাঁড়িয়ে থেকে সংগ্রহ করুন। ২। এটা সম্ভব না হলে, কোনো বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান থেকে সংগ্রহ করতে পারেন। কারো বিশ্বস্ততায় সন্দেহ হলে তার সাথে মধুর খামার পর্যন্ত যেতে পারেন।


আপনাদের অনেকেই বিভিন্ন সময় কমেন্টে, মেসেজে বা ফোনে জিজ্ঞাস করেছিলেন যে FH SHOP-এ মধু পাওয়া যায় কিনা?
আমরা এখনও পর্যন্ত মধু বিক্রয় শুরু করিনি শুনে মন খারাপ করেন।
.
মধু নিয়ে মানুষের কনফিউশান আর অবিশ্বাসের শেষ নেই কারন মধুতে ভেজাল হয় অনেক বেশি তাই সবাই বিশ্বাসযোগ্য মানুষ খুজতে থাকেন যার কাছ থেকে মধু ক্রয় করলে ঠকতে হবে না। আমাদের যেহেতু আপনারা খুব বিশ্বাস করেন তাই এই বিষয়ে আমরা সর্বোচ্চ সতর্ক।
.
আমরা ”সবসময় ১০০% খাঁটি পন্য বিক্রয় করব” – এটা আমাদের প্রতিজ্ঞা আর আমরা আমাদের প্রতিজ্ঞা বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ চেষ্টাই করে থাকি কিন্ত এত চাহিদা থাকা সত্তেও আমরা খাঁটি মধুর সোর্স পাচ্ছিলামনা। তবে অপেক্ষার দিন শেষ, কারন আমরা একটি অথেনটিক সোর্স পেয়ে গেছি আলহামদুলিল্লাহ।
.
FH SHOP  খাঁটি মধু বিক্রয় শুরু করেছে। যদিও খাঁটি মধুর দাম একটু বেশি হয়ে থাকে তবে আমরা আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করব দাম সাধ্যের মধ্যেই রাখতে।
.

FH SHOP নিয়ে এসেছে ১০০% খাঁটি মধু যা আমাদের তত্ববধানে বিভিন্ন বাগানে গিয়ে বাক্সের মৌমাছি দ্বারা সংগ্রহ করা হয়।

আমাদের জন্য দোয়া করবেন যেন সবসময় আপনাদের খাঁটি পন্য সরবরাহ করতে পারি। আমিন।

.

বিভিন্ন ধরনে মধু পাওয়া যাবে FH SHOP এ

বর্তমানে বরই ও সরিষা ফূলের (বড়ই ৮৫% ও সরিষা ১৫%) মিক্স মধু পাওয়া যাচ্ছে।

.

মধুর মান ভালো রাখতে ও বেশি দিন সংরক্ষন করতে চাইলে অবশ্যই কাঁচের কৌটায় রাখুন। পরিবহনের সময় ভেঙ্গে যাওয়ার আশংকা থাকায় FH SHOP এর মধু মজবুত প্লাস্টিকের কৌটায় দেওয়া হয়।

.

FH SHOP এর মধু নিয়ে কিছু প্রশ্ন ও উত্তরঃ

মধু কি জমে যাবে?

মধু নরমালি জমেনা তবে অনেকসময় ফ্রিজে রাখার কারনে বা নির্দিষ্ট তাপমাত্রার কম তাপমাত্রায় রাখলে জমে যেতেও পারে।

এগুলো কি চাষের মধু?

হ্যাঁ, নিজস্ব তত্ববধানে মৌ খামারে উৎপাদিত মধু।

আপনাদের কৌটা ৬৩০ গ্রাম করার কারন কি?

কৌটায় যতটুকু ধরেছে ততটুকু ভরা হয়েছে। কৌটায় খালি/ফাঁকা থাকলে পরিবহনে সমস্যা হয়।

error: Content is protected !!
X