রোগ ও চিকিৎসার জন্য হিজামা পয়েন্ট (ওয়েস্টার্ন মেথড অনুসারে )

ক্যাটাগরি: ক্যাটাগরি বিহীন | তারিখ: 24/11/18 | No Comment

সুন্নাহ পয়েন্টঃ

সুন্নাহ পয়েন্টের রেফারেন্স বই

পাকিস্থানের ডাঃ আমজাদ আহসান আলী , MBBS (Kar.)MRCP (UK), Formerly Dean , Faculty of Medicine , Liaquat National Hospital , Karachi  ,  ডাঃ আসাদ আহমেদ খান , MBBS , PhD (McGill University , Canada ) . ডাঃ সাদ আহমেদ খান MBBS , CM (McGill University , Canada ), Fellowship in surgery ( Harvard University , Canada )  লিখিত বই  Al-Hijamah Cupping  Healing The Sunnah Way

.

রোগ ও চিকিৎসার জন্য হিজামা পয়েন্টঃ

( চিত্র দেখে পয়েন্ট জেনে নিতে হবে )

  • রিউমেটিজম ( পেইনফুল জয়েন্ট / জয়েন্টে ব্যথা ) – পয়েন্ট ১, ৫৫ সহ ব্যথার এরিয়াতে হিজামা করতে হবে  ।
  • হাঁটুর আড়ষ্ট ভাব , নড়াচড়া করতে সমস্যা হয় – পয়েন্ট – এসেনশিয়াল পয়েন্ট হিসেবে ১,৫৫,১১,১২,১৩ সহ হাটুর চতুর্দিকে , ভলান্টারি পয়েন্ট হিসেবে ৫৩ , ৫৪ এ হিজামা করতে হবে  ।
  • শোথ রোগ ( শরীরে পানি জমা ) – পয়েন্ট – এসেনশিয়াল পয়েন্ট হিসেবে ১, ৫৫,১৩০ ( ডান ও বা পায়ে ) , ভলান্টারি পয়েন্ট হিসেবে ৯, ১০ এ হিজামা করতে হবে   ।
  • সায়টিক পেইন ( ডান পায়ে ) – পয়েন্ট ১,৫৫,১১,১২,২৬,৫১ এবং পায়ের যেখান থেকে ব্যাথার শুরু হয়ে সেই স্থানে ও যেখানে ব্যাথা শেষ হয়ে সেই স্থানে হিজামা করতে হবে  ।
  • সায়টিক পেইন ( বাম পায়ে )- পয়েন্ট- ১,৫৫,১১,১৩,২৭,৫২ এবং পায়ের যেখান থেকে  ব্যাথার শুরু হয়ে সেই স্থানে ও যেখানে ব্যাথা শেষ হয়ে সেই স্থানে হিজামা করতে হবে   ।
  • ব্যাক পেইন / পিঠে ব্যথা – পয়েন্ট – ১,৫৫ ও ব্যথার স্থান সহ মেরুদন্ডের দুই পাশে হিজামা করতে হবে ।
  • নেক ও সোল্ডার পেইন ( ঘাড় ও কাধের ব্যথা) – পয়েন্ট- ১,৫৫,৪০,২০,২১ এবং ব্যথার স্থানে হিজামা করতে হবে  ।
  • গাউট (Gout) /গেঁটেবাত – পয়েন্ট- ১,৫৫,২৮,২৯,৩০,৩১,১২১ এবং ব্যাথার স্থানে হিজামা করতে হবে  ।
  • রিউমাটয়েড আথ্রাইটিস (Rheumatoid Arthritis )- এ রোগে অস্থিসন্ধিতে প্রদাহ হয়– পয়েন্ট- ১,৫৫,১২০,৪৯, ৩৬ এবং বড় ও ছোটো জয়েন্ট গুলোতে হিজামা করতে হবে ।
  • প্যারালাইসিস ( অর্ধেক শরীর / একাংশ ) – পয়েন্ট –  ১,৫৫,১১,১২,১৩,৩৪ , ৩৫ সাথে আক্রান্ত  জয়েন্টে হিজামা করতে হবে  । এক্ষেত্রে  আয়ুর্বেদিক তৈল (  যেমনঃমহামাষ তৈল , বৃঃ বিষ্ণু তৈল  ইত্যাদি  ) দিয়ে কাপিং ম্যাসেজ ( প্লাস্টিক বা সিলিকন কাপ ব্যবহার করা যায় ) উপকারী ।
  • প্যারালাইসিস ( সমস্ত শরীর   ) – পয়েন্ট –  ১,৫৫,১১,১২,১৩,৩৪ , ৩৫ , ৩৬  সাথে শরীরের সকল   জয়েন্টে হিজামা করতে হবে  । এক্ষেত্রে  আয়ুর্বেদিক তৈল (  যেমনঃমহামাষ তৈল , বৃঃ বিষ্ণু তৈল  ইত্যাদি  ) দিয়ে কাপিং ম্যাসেজ ( প্লাস্টিক বা সিলিকন কাপ ব্যবহার করা যায় ) উপকারী ।
  • ইমিউন সিস্টেম ডিফিসিএন্সি ( রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়া )- পয়েন্ট ১,৫৫,১২০,৪৯ পয়েন্টে হিজামা করতে হবে ।
  • মাসল স্পাজম( Muscle Spasm) /মাংসপেশি টেনে ধরা – পয়েন্ট- ১,৫৫ পয়েন্টে ওয়েট কাপিং এবং   সংশ্লিষ্ট মাংশ পেশীতে ড্রাই কাপিং করতে হবে ।
  • দূর্বল রক্ত সঞ্চালনঃ পয়েন্ট- ১,৫৫,১১ সহ মেরুদণ্ডের দুই পাশে ৫ টি + ৫ টি = ১০ টি কাপ বসিয়ে  হিজামা  করতে হবে । সাথে প্রতিদিন ১ বার করে  ১ চা চামুচ পিওর , অর্গানিক  আপেল সিডার ভিনেগার  ও মধু প্রফেটিক মেডিসিন হিসেবে  সেবন করা  যেতে পারে ।
  • বাহু / হাত অবশ – পয়েন্ট- ১,৫৫,৪০,২০,২১ পয়েন্ট সহ  বাহুর মাংসপেশি ও আক্রান্ত জয়েন্টে  হিজামা করতে হবে
  • পা অবশ – পয়েন্ট- ১,৫৫,১১,১২,১৩,২৬, ২৭ সহ পায়ের জয়েন্ট ও আক্রান্ত মাংশপেশিতে   হিজামা করতে হবে
  • এবডমিনাল পেইন / পেটে ব্যথা – পয়েন্ট – ১,৫৫,৭,৮ ওয়েট কাপিং এবং ১৩৭ , ১৩৮,১৩৯,১৪০ ড্রাই কাপিং হবে করতে হবে ।
  • পাইলস – পয়েন্ট- ১,৫৫,১২১,১১,৬ ওয়েট কাপিং এবং ১৩৭,১৩৮,১৩৯ ড্রাই কাপিং করতে হবে ।
  • ফিস্টুলা – পয়েন্ট- ১,৫৫,৬,১১,১২,১৩ নাম্বার পয়েন্টে হিজামা করতে হবে ।
  • প্রস্টেড এনলার্জ – পয়েন্ট- ১,৫৫,৬,১১,১২,১৩ ওয়েট কাপিং এবং ১৪০,১৪৩ পয়েন্ট ড্রাই কাপিং করতে হবে ।
  • ইরেকটাল ডিসফাংশন ( লিঙ্গের উত্থানের সমস্যা )- পয়েন্ট- ১,৫৫,৬,১১,১২,১৩ , ১২৫,১২৬,১৩১ উপয় পায়ে ওয়েট কাপিং করাতে হবে এবং ১৪০,১৪৩ পয়েন্ট ড্রাই কাপিং করতে হবে ।
  • পুরাতন কাশি , কফ ও ফুসসুসের সমস্যাঃ ১,৫৫,৪,৫,১২০,৪৯,১১৫,১১৬,৯,১০,১১৭,১১৮,১৩৫,১৩৬ এবং দুই হাটুর নিচে দুইটা কাপ দিয়ে হিজামা করতে হবে ।
  • উচ্চরক্তচাপঃ – পয়েন্ট-  ১,৫৫,২,৩,১১,১২,১৩,১০১,৩২,৬,৪৮,৯,১০,৭,৮ , এখানে ২ ও ৩ নাম্বার পয়েন্ট ৪৩ ও ৪৪ নাম্বার পয়েন্টের সাথে রিপ্লেস করে  হিজামা করা যায় । যেমন একটা সেশনে ২, ৩ পরের সেশনে ৪৩,৪৪ নং পয়েন্ট ।
  • পাকস্থলীর সমস্যা ও আলসারঃ- পয়েন্ট- ১,৫৫,৭,৮,৫০,৪১,৪২ নাম্বার পয়েন্ট ওয়েট কাপিং হবে ও ১৩৭ ,১৩৮,১৩৯ ,১৪০ নং পয়েন্ট ড্রাই কাপিং হবে ।
  • কিডনির সমস্যা – পয়েন্ট- ১,৫৫,৯,১০,৪১,৪২ নং পয়েন্ট ওয়েট কাপিং এবং ১৩৭ , ১৪০ নং পয়েন্ট ড্রাই কাপিং হবে ।
  • আইবিএস (IBS)ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রমঃ – পয়েন্ট- ১,৫৫,৬,৪৮,৭,৮,১৪,১৫,১৬,১৭,১৮,৪৫,৪৬ নাম্বার পয়েন্ট ওয়েট কাপিং এবং ১৩৭ নাম্বার পয়েন্ট ড্রাই কাপিং হবে ।
  • পুরাতন কোষ্ঠকাঠিন্যঃ পয়েন্ট- ১,৫৫,১১,১২,১৩,২৮,২৯,৩০,৩১   নাম্বার পয়েন্টে হিজামা করতে হবে ।
  • ডায়রিয়াঃ পয়েন্ট- ১৩৭,১৩৮,১৩৯,১৪০ নাম্বার পয়েন্টে ড্রাই কাপিং করতে হবে ।
  • বিছানায় প্রসাব করাঃ পয়েন্ট- ৫ বছরের চেয়ে বেশি বয়সিদের জন্য  ১৩৭,১৩৮,১৩৯,১৪০,১৪২,১৪৩,১২৫ , ১২৬ নাম্বার পয়েন্টে ড্রাই কাপিং করতে হবে ।
  • মানসিক সমস্যা , ডিপ্রেশন , ঘুমের সমস্যাঃ পয়েন্ট – ১,৫৫,৬,১১,৩২, এবং দুই হাটুর নিচে দুইটা কাপ দিয়ে হিজামা করতে হবে ।
  • এথেরোস্ক্লেরোসিস – পয়েন্ট – ১,৫৫,১১ পয়েন্টে   হিজামা  করতে হবে । সাথে প্রতিদিন ১ বার করে  ১ চা চামুচ পিওর , অর্গানিক  আপেল সিডার ভিনেগার  ও মধু প্রফেটিক মেডিসিন হিসেবে সেবন করা  যেতে পারে ।
  • গ্যাস্টাইটিস – পয়েন্ট – ১,৫৫,১২১ পয়েন্টে   হিজামা  করতে হবে ।
  • ঘুমের সমস্যা/ ঠিক ভাবে ঘুম না হওয়া  –  পয়েন্ট- ১,৫৫,৩৬ পয়েন্টে   হিজামা  করতে হবে । সাথে প্রতিদিন ১ বার করে  ১ চা চামুচ পিওর , অর্গানিক  আপেল সিডার ভিনেগার  ও মধু প্রফেটিক মেডিসিন হিসেবে সেবন করা  যেতে পারে ।
  • ফুড এলার্জি – নাভির উপরে হালকা প্রেসারে একটা ড্রাই কাপ করতে হবে ( অভিজ্ঞ চিকিৎসক ছাড়া এটা করা যাবে না )
  • হৃদ রোগ- পয়েন্ট- ১,৫৫,১৯,১১৯,৭,৮,৪৬,৪৭,১৩৩,১৩৪ পয়েন্টে   হিজামা  করতে হবে ।
  • ডায়বেটিস – পয়েন্ট- ১,৫৫,৬,৭,৮,২২,২৩,২৪,২৫,১২০,৪৯ পয়েন্টে   হিজামা  করতে হবে । ( অভিজ্ঞ চিকিৎসক ছাড়া ও ডায়েবেটিস নিয়ন্ত্রন না থাকলে হিজামা করা যাবে না । হিজামায় ডায়বেটিস ভালো হবে না কিন্তু ভালো থাকতে সাহায্য করবে )
  • লিভার ও পিত্তথলির সমস্যাঃ- পয়েন্ট- ১,৫৫,৬,৪৮,৪১,৪২,৪৬,৫১,১২২,১২৩,১২৪,৫ পয়েন্টে   হিজামা  করতে হবে ।( পত্তথলির পাথর হলে হিজামা করা যাবে না , দ্রুত অপারেশনের জন্য সার্জনের কাছে রেফার করতে হবে )
  • ভ্যারিকোস ভেইন- পয়েন্ট- ১,৫৫,২৮,২৯,৩০,৩১,১৩২ সাথে ভেইনের পাশে হিজামা করতে হবে । কিন্তু ভেইনের সরাসরি  উপরে হিজামা  করা যাবে  না ।
  • ভ্যারিকোসিল – পয়েন্ট- ১,৫৫,৬,১১,১২,১৩,২৮,২৯,৩০,৩১,১২৫,১২৬ পয়েন্টে   হিজামা  করতে হবে ।
  • গোদরোগ বা ফাইলেরিয়াসিস (Filariasis)- পয়েন্ট- রোগীকে কাপিং করার দুই দিন আগে থেকেই ফুল বেড রেস্টে রাখতে হবে  এবং কাপিং দুই ঘন্টা আগে হালকা গরম পানিতে কাপিং এর স্থানটা ধুয়ে নিতে হবে ।  ১, ৫৫,১১ , ১২,১৩,১২০, ৪৯ , ১২১, ১২৫,১২৬,৫৩,৫৪ পয়েন্টে   হিজামা  করতে হবে ।
  • চর্ম রোগ- পয়েন্ট- ১,৫৫,৪৯,১২০,১২৯,৬,৭,৮,১১  সহ আক্রান্ত স্থানে   হিজামা  করতে হবে ।
  • অতিরিক্ত ওজন /ওভার ওয়েট- পয়েন্ট- ১,৫৫,৯,১০,১২০,৪৯ পয়েন্টে   হিজামা  করতে হবে । এবং কাপিং মেসেজ এক্ষেত্রে উপকারী ।
  • আন্ডার ওয়েট ( কম ওজন ) – পয়েন্ট – ১,৫৫,১২১ পয়েন্টে  হিজামা  করতে হবে ।
  • ইনফার্টিলিটি ( বন্ধ্যাত্য / বাচ্চা না হওয়া ) – পয়েন্ট- ১,৫৫,৬,১১,১২,১৩,১২০,৪৯,১২৫,১২৬,১৪৩,৪১ , ৪২ পয়েন্টে   হিজামা  করতে হবে ।
  • থাইরয়েড এর সমস্যা – পয়েন্ট-  ১,৫৫,৪১,৪২ পয়েন্টে   হিজামা  করতে হবে ।
  • মাথাব্যথা- পয়েন্ট – ১,৫৫,২,৩ পয়েন্টে হিজামা  করতে হবে । প্রথম সেশনের পরে ১ও ৩ নং পয়েন্টের পরিবর্তে ৪৩ ও ৪৪ নাম্বার পয়েন্ট রিপ্লেস করা যাবে ।
  • চোখের চাপের জন্য মাথা ব্যাথা ১,৫৫,২,৩ , ১০৪,১০৫,৩৬  পয়েন্টে   হিজামা  করতে হবে ।
  • সাইনুসাইটিসের জন্য জন্য মাথা ব্যাথা – ১,৫৫,২,৩ , ১০২,১০৩ ,১১৪ পয়েন্টে হিজামা  করতে হবে।
  • উচ্চরক্তচাপের জন্য মাথা ব্যথা – – ১,৫৫,২,৩, ১১,১০১,৩২  পয়েন্টে   হিজামা  করতে হবে।
  • কোষ্ঠকাঠিন্যের জন্য মাথা ব্যথা- – ১,৫৫,২,৩, ২৮,২৯,৩০,৩১ পয়েন্টে   হিজামা  করতে হবে।
  • ঠাণ্ডা জনিত কারনে মাথা ব্যথা – – ১,৫৫,২,৩ ,১২০,৪,৫ পয়েন্টে   হিজামা  করতে হবে ।
  • কিডনির সমস্যার কারনে মাথা ব্যাথা – – ১,৫৫,২,৩, ৯,১০ পয়েন্টে   হিজামা  করতে হবে।
  • মহিলাদের মাসিকের সময়ে ও মাসিক জনিত জটিলতার কারনে মাথা ব্যথা – ১,৫৫,২,৩,১১,১২,১৩ পয়েন্টে   হিজামা  করতে হবে।
  • লিভার ও পিত্তথলির কারনে বা রোগজনিত কারনে বা রোগের সাথে মাথা – – ১,৫৫,২,৩, ৬,৪৮ পয়েন্টে হিজামা  করতে হবে।
  • মেরুরজ্জু / স্পাইনাল কর্ড এর কোনো সমস্যার জন্য মাথা ব্যথা হলে – – ১,৫৫,২,৩ সহ মেরুদণ্ডের দুই পাশে পয়েন্টে   হিজামা  করতে হবে ।
  • টেনশনের কারনে মাথাব্যথা – – ১,৫৫,২,৩, ৬,১১,৩২ পয়েন্টে হিজামা  করতে হবে।
  • রক্তশূন্যতার জন্য মাথা ব্যথা – ১,৫৫,২,৩, ১২০,৪৯ পয়েন্টে   হিজামা  করতে হবে ।
  • মাইগ্রেন – ১,৫৫,২,৩ , ১০৬ পয়েন্টে   হিজামা  করতে হবে ।
  • চোখের সমস্যা – পয়েন্ট – ১,৫৫,৩৬,১০১,১০৪,১০৫,৯,১০,৩৪,৩৫ পয়েন্টে   হিজামা  করতে হবে ।
  • টনসিল , মুখের রোগ – ১,৫৫,২০,২১,৪১,৪২,১২০,৪৯,১১৪,৪৩,৪৪ পয়েন্টে হিজামা  করতে হবে ।
  • কানের সমস্যা – পয়েন্ট – ১,৫৫,২০,২১,৩৭,৩৮ পয়েন্টে হিজামা  করতে হবে ।
  • সাইনাসের সমস্যা – ১,৫৫,১০২,১০৩,১০৮,১০৯,৩৬,১৪ পয়েন্টে হিজামা  করতে হবে ।
  • Neuritis – নিউরাইটিস- ( inflammation of fifth and seventh nerves) –  ১,৫৫,১১০,১১১,১১২,১১৩,১১৪ পয়েন্টে   হিজামা  করতে হবে ।
  • মনোযোগ বৃদ্ধি , ড্রিপ্রেশন ও মানসিক প্রশান্তির জন্য- ১,৫৫,২,৩,৩২ পয়েন্টে   হিজামা  করতে হবে ।
  • স্মৃতি শক্তি হ্রাস – ৩৯ পয়েন্টে হিজামা  করতে হবে । এই পয়েন্টের অপব্যবহার ক্ষতিকর হতে পারে ও উপকারের চেয়ে অপকারের কারন হতেপারে । এই পয়েন্টে বার বার হিজামা করা যাবে না ।
  • বাক শুন্যতা / কথা বন্ধ হয়ে যাওয়া – ১,৫৫,৩৬,৩৩,১০৭,১১৪ পয়েন্টে হিজামা  করতে হবে ।
  • ধূমপান ত্যাগ করার জন্য সহায়ক হিজামা পয়েন্ট- ১,৫৫,১০৬,১১,৩২ পয়েন্টে হিজামা  করতে হবে ।
  • কনভালশন – পয়েন্ট- ১,৫৫,১০১,৩৬,৩২,১০৭,১১৪,১১,১২,১৩ পয়েন্টে হিজামা  করতে হবে ।
  • মানসিক সমস্যা – পয়েন্ট- ১,৫৫,১০১, ৩৬,৩২,২,৩,১২০,৪৯,১১,১২,১৩ পয়েন্টে হিজামা  করতে হবে ।
  • ব্রেনে অক্সিজেনের সল্পতা – পয়েন্ট- ১, ৫৫,১০১,৩৬,৩২,৩৪,৩৫,১১,৪৩,৪৪ পয়েন্টে   হিজামা  করতে হবে ।
  • জরায়ু থেকে অতিরিক্ত রক্তস্রাব – ১,৫৫ ওয়েট কাপিং ও ব্রেস্টের নিচে ড্রাই কাপিং করতে হবে ।
  • এমেনোরিয়া ( মাসিক বন্ধ ) – পয়েন্ট- ১,৫৫,১২৯,১৩১,১৩৫,১৩৬ পয়েন্টে হিজামা  করতে হবে ।
  • সদাস্রাব/লিউকোরিয়া- ব্রাউন রঙয়ের হলে , গন্ধ থাকলে , চুলকানি হলে  – ১,৫৫,১২০,৪৯,১১,১২,১৩,১৪৩  পয়েন্টে   হিজামা  করতে হবে ।কোন রঙের না হলে , গন্ধ না থাকলে , চুলকানি না থাকলে – ১,৫৫,৯,১০,৪১,৪২,১১,১২,১৩,১৪৩ পয়েন্টে   হিজামা  করতে হবে ।সাথে ব্রেস্টের নিচে ড্রাই কাপিং করতে হবে ।
  • মাসিকের সমস্যা – ১,৫৫ ওয়েট কাপিং এবং  ১২৬,১৩৭,১৩৮,১৩৯,১৪০,১৪১,১৪২,১৪৩  পয়েন্টে ড্রাই কাপিং করতে হবে ।
  • ওভারির কার্যকারিতা বৃদ্ধির জন্য – ১,৫৫ ,১১ ওয়েট কাপিং এবং  ১২৫,১২৬ পয়েন্টে ড্রাই কাপিং করতে হবে ।
  • মহিলাদের মেয়েলি রোগের কারনে তলপেটে ব্যথা – ১,৫৫,৬,৪৮,১১,১২,১৩,১২০,৪৯ পয়েন্টে ওয়েট কাপিং  এবং ১২৫,১২৬ পয়েন্টে ড্রাই কাপিং

.

( ওয়েস্টার্ন মেথডের জন্য UK এর  Hijama Nation Association (HNA) প্রকাশিত ডিপ্লোমা কোর্সের বই   Wet Cupping Therapy  , south Africa এর ডাঃ ফিরোজ ওসমান লাতিব লিখিত বই “  Islamic Cupping & Hijamah: A Complete Guide “( EDI Publishers 11 Mandrill Street Lenasia 1827, South Africa ) ফলো করা হয়েছে । )

.

যোগাযোগঃ

ডাঃ মোঃ ফাইজুল হক
Gov. Registered Ayurvedic , Unani and Homoeopathic Physician
Certified acupressure therapist , Hijama/ Cupping Therapist
Trained on Therapeutic Counselling
(Department of Clinical Psychology, University of Dhaka)
Honorary Lecturer and Medical Officer:
Noor–Majid Ayurvedic Medical College Hospital
.

ঠিকানাঃ
বাসা# এ-৩৮/১ , ইসলামপুর , [হাসপাতাল রোড , খাদ্য গোডাউন মোড়ের একটু আগে আমাবাগান দারুস সালাম জামে মসজিদের গলী ( চার তলা মসজিদ ) ] , ধামরাই , ঢাকা ।
মোবাইলঃ( সিরিয়ালের জন্য ) 01712-859950
বিঃ দ্রঃ সাক্ষাতের আগে অবশ্যই ফোন দিয়ে সময় নিয়ে আসতে হবে । ফোন না দিয়ে আসলে দেখা করা যাবে না ।
.
সাক্ষাৎঃ
মঙ্গলবার , বুধবার , বৃহস্পতিবার সকাল ৯ টা থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত , ও শুক্রবার বিকেল ৩ টা থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত ।
.
ওয়েবসাইটঃ www.faijulhuq.com

নিচের বাটনগুলো দ্বারা শেয়ার করুন:

ফেইসবুকের মাধ্যমে কমেন্ট করুন

Leave a Reply

avatar
  Subscribe  
Notify of

ফেসবুকে লাইক দিন

ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

MD. Faijul Huq youtube subscribe

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

error: Content is protected !!
Dr. Md. Faijul Huq
Dr. Md. Faijul Huq